বাবর ফের রিমান্ডে
>> Tuesday, December 7, 2010
১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দ্বিতীয় দফায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে নিজেদের হেফাজতে পেলো পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার (আইও) ১০ দিনের আবেদনে সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মাহবুবুর রহমান শুনানি শেষে পাঁচ দিনের হেফাজত (রিমান্ড) মঞ্জুর করেন। বাবরের জামিন আবেদনও না মঞ্জুর করেন বিচারক।
গত ১ নভেম্বর বাবরকে এ মামলায় প্রথম দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে ঢাকায় জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত সংস্থা সিআইডি।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কামাল উদ্দীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "লুৎফুজ্জামান বাবর অস্ত্র খালাস করার সময় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। প্রথম দফা রিমান্ডের জিজ্ঞাসাবাদে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এ ব্যক্তি অস্ত্র খালাস ও পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন।"
তিনি জানান, এ বিষয়ে আরো তথ্য পেতে তদন্ত কর্মকর্তা পুনরায় রিমান্ডের আবেদন করেছেন। বিচারক শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
এরপর আদালত চত্ত্বরে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা সরকার বিরোধী স্লোগান দেয়।
এর আগে ১ ডিসেম্বর এ মামলায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুর রহিমের পাঁচ দিনের হেফাজত (রিমান্ড) মঞ্জুর করে আদালত। তবে এখনো তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়নি।
মামলার আইও সিআইডি'র সিনিয়র এএসপি মনিরুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, সাবেক গোয়েন্দা প্রধানকে সুবিধামতো সময়ে ঢাকায় সিআইডি সদর দপ্তরে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।"
তাদের দুজনকে মুখোমুখি করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কী না জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানান।
সোমবার দুপুরে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালত ভবনে নিয়ে আসা হয়।
রোববার রাতেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বাবরকে চট্টগ্রাম কারাগারে নিয়ে আসা হয়।
গত ৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ফজলুল বারী ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
এর আগে ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলা তদন্তেও সিআইডি বাবরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সিআইডি ওই মামলাও তদন্ত করছে।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল গভীর রাতে চট্টগ্রামের সংরক্ষিত সিইএফএল জেটি ঘাটে ১০ ট্রাক সমপরিমাণ অস্ত্র গোলাবারুদ আটক করে পুলিশ।
এ ঘটনায় কর্ণফুলী থানার ওসি আহাদুর রহমান বাদি হয়ে অস্ত্র ও চোরাচালান আইনে পৃথক দুটি মামলা করেন। সে সময় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন লুৎফুজ্জামান বাবর।
ওইসময়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব ওমর ফারুককে প্রধান করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট সরকারি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
সরকারি তদন্ত দলের তিন সদস্য এ মামলায় ইতিমধ্যে সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের জবানিতে
0 comments:
Post a Comment